বেশিরভাগ সবজির দামই ৫০ টাকার ওপরে। শুধু শহর নয়, বাজারের এমন পরিস্থিতি কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলেও। সেই সাথে সয়াবিন তেল, পেঁয়াজের লাগামহীন মূল্য তো আছেই। সব মিলিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন দারিদ্রপীড়িত জেলাটির চরবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
জেলার ৭ সদস্যের পরিবার লাইলি বেগমের। নিম্ন আয়ের এই সংসারে দুপুরের খাবার ভাত আর আলুর তরকারি। নামেমাত্র তেল-পেঁয়াজে চড়েছে রান্না। তেলের মধ্যে পানি মিশিয়েও চলছে রান্না। উলিপুরের আঠারো পাইকার গ্রামের পাশাপাশি আরও কয়েকটি বাড়ি ঘুরে দেখা মিললো একই চিত্রের। তরকারি বলতে আলুই যেন প্রধান ভরসা। বেগুন, ফুলকপি, শিম, বরবটি সবই কেজিতে ৫০ টাকার ওপরে। চড়া দ্রব্যমূল্যের বাজারে মাছ-মাংস রীতিমতো বিলাসীতা।
দারিদ্র্যপীড়িত জেলা কুড়িগ্রাম। এখানকার চরবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষকে দু’মুঠো ভাত যোগাতে এমনিতেই হিমশিম খেতে হয়। তারপরও বেসামাল বাজার পরিস্থিতিতে চরম কষ্টে দিন পার করছেন তারা। কুড়িগ্রামে চার শতাধিক চর রয়েছে। এসব চরের বেশিরভাগ বাসিন্দারই জীবিকা দিনমজুরি।
নিম্ন আয়ের মানুষ কিছুটা স্বস্তি দিতে শিগগিরি ইউনিয়ন পর্যায়ে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল কুমার বলেন, শিগগিরই টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হবে। দু’টি পর্যায়ে চলবে এই কার্যক্রম। প্রথম পর্যায়ে শুরু হবে ১৫ মার্চ আর দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৭ মার্চ থেকে শুরু হবে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম।
এসজেড/

